তাজা খবর:
সোমবার, ১৫ ফাল্গুন১৪২৩, ২৬ ফেব্রুয়ারি২০১৭ সকাল ৭:৫৭

ভোলার জেলা ইজতেমা শেষে তজুমদ্দিন মূখী লোকদের চিএ

7

ভোলার জেলা ইজতেমা শেষে তজুমদ্দিন মূখী লোকদের চিএ

মোহাম্মদ তন্ময়, তজুমদ্দিন(ভোলা প্রতিনিধি): জেলা ভিত্তিক ইজতেমায় ভোলায় ৭টি উপজেলার প্রায় আট লাখ ধর্মপ্রাণ মানুষ মাঠে সমবেত হয়ে আখিরী মোনাজাতে অংশ নেয়। মোনাজাত শেষে গন্তব্য ফিরতে কাউকে মাঠে,মাদ্রাসা,মসজিদে থাকতে হয় এক রাত। এমনটায় জেলার বিভিন্ন উপজেলার সাথে তজুমদ্দিনের কয়েক সহস্র মানুষ আবদ্ধ হয়। অনেকে ২০ থেকে ২৫ মাইল হেঁটেও যানবাহন উঠার জায়গা না পাওয়ার করুন চিএ দেখা যায়। অন্যদিকে তজুমদ্দিন মাখরাজ মসজিদেরর তথ্য মতে- স্থানীয় মানুষের  পাশাপাশি শতাধিক তবলিক খেদমতের লোকেরাও ইজতেমায় জড়ো হন। প্রায় ১২.২৫মিনিটে মোনাজাত শেষে গন্তব্য ফিরতে লোক সকলের বেশ লক্ষনীয় ঢল পড়ে।প্রায় ৬কিলোমিটার পর্যন্ত গাড়ী চলাচল পথে মানুষের সমাগমে গাড়ি স্থগিত থাকায়, অনেকে গাড়ি ভাড়া করেও সুদূর পথ হেঁটে অন্য গাড়ির অপেক্ষায় বেলা গুনতে হয়। এছাড়া বহু সংখ্যক লোক
লাফিয়ে,জোরপূর্বক বাসের ছাঁদের গিরিলের বাহির প্রান্তে হিমসীমে বসে,ট্রাকের সামনে চার জনের স্থানে আটজন সহ নানামুখী জীবনের জুঁকিতে অংশ নেয়।

তজুমদ্দিনের শম্ভূপুর ইউনিয়নের মুসা,আনচলক,শিপন উদ্দিন জানান- আমরা জামাত বন্ধী লোকগুলো ইজতেমা মাঠ থেকে বোরহানদ্দিন পর্যন্ত প্রায় ১৬কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে আসছি,রাত বাড়তেছে এখনো কোন খালি গাড়ি-রিক্সার ব্যবস্থা হয় নি।আবার অনেকে কয়েক কিলো হেঁটে রাত নেমে আসলে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিতে বাধ্য হয়।এর মধ্যে  দেখা যায়- ফাতেমা খানম মসজিদ প্রাঙ্গণে,জয়নগর হোছেনিয়া মাদ্রাসা সহ বেশ কয়েকটি মসজিদ,মাদ্রাসায় ও বাড়িতে ঘরমূখী লোক গুলো রাত কাটায়। ইজতেমার স্থান হতে খায়ের হাটে সোনাপুর ইউনিয়নের সাদ্দাম, রফিকুল, সাহেব আলীর দেখা মিললে জানান,১০কিলো হেঁটে আসছি আল্লামদুল্লিল্লাহ আমাদের দুঃখ নেয়।এই পরিশ্রমের বদলা আখিরাতে দিবেন।তাছাড়া আমাদেরকে এলাকাবাসীরা চলতি পথে পানি,শরবত পান করিয়ে তৃষ্ণা নিবারন করিয়েছে।গাড়ি খালি না পেলে যেকোন মসজিদে বা বাড়িতে থাকবো বলে আশা করছি।এছাড়াও অসংখ্য জামাতবন্ধীরা জানান- গাড়ির এরূপ অবস্থার কথা ভেবেই আমরা ইজতেমার মাঠে রাত কাটায়। এভাবে যে যেখানে রাত যাপনের পর ফজরের নামায শেষে আগমন করতে থাকে তজুমদ্দিনের আনাচে কাঁনাচের ধর্মী ভিরু মানুষগুলো।

Comments