তাজা খবর:
বুধবার, ১১ শ্রাবণ১৪২৪, ২৫ জুলাই২০১৭ রাত ২:৩০

তারুন্য নির্ভর নের্তৃত্বের ভূমিকায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত ব্যারিস্টার ইমারান চৌধুরী

তারুন্য নির্ভর নের্তৃত্বের ভূমিকায় বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত ব্যারিস্টার ইমারান চৌধুরী

নীলফামারী প্রতিনিধি: দুখী মানুষের মুখে হাঁসি ফুটাতে আওযামীলীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে রাজনীতিতে এসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসতে চাঁন মাটি ও মানুষের নেতা, এক সময়ের তুখোর ও বিশ্ববিদ্যালয় কাঁপানো ছাত্রনেতা ব্যারিষ্টার মোঃ ইমরান কবীর চৌধুরী জনি। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি ছাত্রলীগ সংগঠনে থেকে কল্যাণকর নানামুখি কার্যক্রমে জড়িয়ে থাকতেন তিনি। ১৯৯৭-১৯৯৯ সালে নীলফামারী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি, ১৯৯৯-২০০০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত অবস্থায় শহীদ জিয়াউর রহমান হলের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যাল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি, ১৯৯৯-২০০১ পর্যন্ত নীলফামারী জেলা আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে তিনি উপদেষ্টা নীলফামারী জেলা সেচ্ছাসেবক লীগ ও সভাপতি, নীলফামারী জেলা বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এছাড়াও তিনি বর্তমানে লন্ডনে বঙ্গবন্ধু আইনজীবি পরিষদ এর সভাপতি হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন বলেও একটি সুত্র জানিয়েছে। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার পশ্চিম ছাতনাই গ্রামের মরহুম আব্দুর রহমান চৌধুরী পুত্র বীরমুক্তিয়োদ্ধা ওয়ালিউর কবীর চৌধুরীর জৈষ্ঠ্য পুত্র ও মরহুম আব্দুর রহমানের পৌহিত্র ব্যারিস্টার ইমরান কবির চৌধুরী জনি সম্ভ্রান্ত এই পরিবারে ১৯৭৭ সালের ১ জানুয়ারী জন্ম গ্রহন।

মরহুম আব্দুর রহমান তৎকালীণ সময়ে নীলফামারী মহকুমার ১৯৭০ সালের নির্বাচনে ডোমার-ডিমলা অঞ্চল থেকে পূর্ব পাকিস্থান প্রাদেশিক পরিষদের আওয়ামীলীগের টিকিটে সদস্য (এমপিএ) নির্বাচিত হন। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশ্বস্ত ঘনিষ্ট সহচর হওয়ার সুবাদে বঙ্গবন্ধু তাকে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য মনোনিত করেন। ৭১’এর মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন তিনি। ব্যারিষ্টার ইমরান চৌধুরীর পিতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওয়ালিউর কবীর চৌধুরী ৭১’এর মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন (সাবেক ডেপুটি কমান্ডার জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, নীলফামারী)। ব্যারিষ্টার ইমরান চৌধুরী নীলফমারী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৯২ সালে এসএসসি পাশ করেন। সরকারী সায়েন্স কলেজ, ঢাকা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন ১৯৯৪ সালে। পরবর্তীতে তিনি এলএলবি (অনার্স) পাশ করেন রাজশাহী বিশ্বকিদ্যালয় থেকে ১৯৯৮ সালে। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিন এলএলএম করেন ১৯৯৯ সালে। ২০০০ সালে তিনি সর্বোচ্চ ডিগ্রী অর্জন করতে পাড়ি জমান লন্ডনে। ব্যারিষ্টারী এই ডিগ্রী অর্জন করতে তিনি বার এ্যাড ”ল” ২০০১-২০০৯ অধ্যায়নরত থেকে ২০১০ সালে ব্যারিষ্টারী পাশ করেন। সিপিই এন্ড গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ইন ”ল” ২০০৯ সালে কোর্স কমপ্লিট করেন। পরবর্তীতে সেখানেই তিনি বিপিবি এন্ড সিএলটি ওক্সফোর্ট ব্রোক বিশ্ববিদ্যালয়, ইংল্যান্ড -এ থেকে ২০১১ সালে ডিগ্রী অর্জন করেন। ব্যারিষ্টার ইমরান চৌধুরী এসব ডিগ্রী অর্জনের পাশাপাশি দেশ ও বিদেশে উচ্চ পর্যায়ে বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠ থেকেও কাজ করেছেন।

বর্তমানে তিনি লন্ডনে মুক্তিযুদ্ধ ভিক্তিক প্রামান্য চিত্র প্রদর্শনী ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পরিচালিত মুক্তি ফুল’’নামক একটি সংগঠনের প্রধান পৃষ্টপোষক হিসেবে পরিচালনা করছেন ”মুক্তিফুল”। তিনি নীলফমারীর ডিমলায় তার জন্মভূমি এলাকায় নানা উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থেকে কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যেই তিনি মসজিদ-মন্দির নির্মাণে ভূমিকা রেখেছেন চোখে পড়ার মত। সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন গরীব-দুখী মানুষের দিকে। কন্যাদায়গ্রস্ত পিতাকে তার কন্যার বিয়ের জন্য দিচ্ছেন অনুদান। অসহায় পরিবারকে দিচ্ছে আর্থিক সহায়তা। বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে তাদের হাতে তুলে দিয়েছেন শতাধিক কম্পিউটার ও ল্যাপটব। অর্থাভাবে লেখাপড়া করতে না পারা শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দিয়েছেন অর্থ। ফলে এসব পরিবারের সদস্যরা কৃতজ্ঞতার সুরে বলেন, ব্যারিষ্টার ইমরানকে দীর্ঘজীবি করুক মহান রাব্বুলআলামিন। বেঁচে থাক তিন দীর্ঘদিন। পাঁশে থাক সুখে-দুখে আমাদের সাথে, এই কামনাই করছে এখন এলাকাবাসী। তিনি ডোমার-ডিমলা এলাকার বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডে ভূমিকা রাখছেন বলেও নাম প্রকাশে অনৈচ্ছুক বেশ কিছু এলাকাবাসী জানিয়েছেন।

unnamed (5)

 

এ ব্যাপাবে সম্প্রতি টেলিফোনে যোগাযোগ করা হয় ব্যারিষ্টার ইমরান কবীর চৌধুরী জনি’র সাথে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, আমি প্রধান প্রধানমন্ত্রীর তারুন্য নির্ভর নেতৃত্বের প্রয়াসে যুক্ত হয়ে তরুন প্রজন্মের নেতৃত্ব দিতে চাই। আমি ছোট বেলা থেকেই বাবা-দাদুর কাছে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু কথা শুনেছি। শুনেছি জাতীর জনকের রাজনৈতিক আদর্শের কথা, শুনেছি তার রাজনৈতিক দুরদর্শিতার কথা আর এসব শুনে শুনে ছোট বেলা থেকেই আমি আওয়ামীলীগরে আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে উজ্জীবিত হয়েছি। বক্ষে ধারণ করেছি বঙ্গবন্ধুর নীতি ও আদর্শ। একারনেই আমি স্কুল জীবন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসেও ছাত্ররাজনীতিতে ছাত্রলীগ করেছি। বর্তমানেও আমি আওয়ামীলীগ রাজনীতিতে বিশ্বাসী হয়ে দেশ ও বিদেশ নানা পদে অধিষ্ঠিত রয়েছি।

সুতরাং আমাকে যদি আমার নির্বাচনী এলাকায় নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের মনোনয়ন দেওয়া হয় তাহলে আমি সারাজীবনের অর্জিত শিক্ষা ও আওয়ামীলীগ আদর্শ বুকে ধারন করেই মাটি ও মানুষের রাজনীতিতে থাকতে চাই। আমার জীবনের অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ডোমার ডিমলা উপজেলাসহ সাধারণ জনগণের উন্নয়নের কান্ডারী হয়ে কাজ করে যেতে চাই। বর্তমান সরকারের ভিশনকে সামনে রেখে ডিজিটাল বাংলাদেশের শতভাগ সফলতা অর্জনে আমার ভূমিকা থাকবে অপরিসীম। তিনি এসময় নির্বাচনী এলাকাবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে বলেন আমাকে দোয়া করবেন। সেই সাথে তিনি আরো বলেন, আমাকে সুযোগ দেওয়া হলে আমি সব সময় এলাকবাসীর পাঁশে থেকে কাজ করে যাবো। সবশেষে তিনি জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু বলে তার কথা শেষ করেন।