তাজা খবর:
বুধবার, ১১ শ্রাবণ১৪২৪, ২৫ জুলাই২০১৭ রাত ২:৩৩

আ.লীগ সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে চায়: ফখরুল

আ.লীগ সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে চায়: ফখরুল

মোঃরাসেদুজ্জামান সাজু, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছে, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে আজ তারা ধ্বংস করেছে। আজকে বিচারবিভাগকে তারা নিয়ন্ত্রণে নিতে চায়। একদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণ করছে অন্যদিকে তারা একক পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠিত করেছে। এভাবে সব গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে চায়।শুক্রবার রাত ৯টায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির আয়োজনে ঠাকুরগাঁও পৌর বিএনপির সদ্য নির্বাচিত পরিচিত সভা ও সদস্য সংগ্রহ অভিযানের এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

ফখরুল বলেন, “আজকে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হেলিকপ্টারে করে নির্বাচনের প্রচারণা করছেন। কিন্ত বিরোধী দলগুলোকে কোনো কথা বলার সুযোগ দিচ্ছেন না। বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক হিসেবে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাঁড়াতে হবে এবং জনগণের ক্ষমতাকে ফিরিয়ে আনতে হবে।”

তিনি বলেন, “বাংলাদেশ আজকে রাজনৈতিকভাবে সামাজিকভাবে একটি চরম সংকটের মধ্যে পড়েছে এবং অত্যন্ত হতাশাজনকভাবে বাংলাদেশে এতোদিনকার যে অর্জন গণতান্ত্রিক অর্জন, অর্থনৈতিক অর্জন তা প্রায় ধ্বংসের দিকে এসে দাঁড়িয়েছে। লাখ লাখ মানুষ আজ বন্যায় কষ্ট পাচ্ছে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কিন্তু সরকার এ ব্যাপারে যে দায়িত্ব পালন করা দরকার, সেই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।”

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “আজকের আন্দোলন শুধু বিএনপিকে ক্ষমতায় আনার জন্য নয়। আজকের আন্দোলন জনগণকে তাদের ভোটের অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক প্রদ্ধতিতে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকারকে বাধ্য করতে হবে, তারা যেন সকলের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একটি অর্থবহ সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেয়।”

বিএনপি মহাসচিব বলেন, “এই সরকারের অধীনে যদি নির্বাচন হয় তাহলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না। তাই বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রস্তাব নির্বাচনকালীন সময়ে একটি সহায়ক সরকার প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যে সরকার কোনো রকম পক্ষপাত না করে নিরপেক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে সঠিকভাবে পরিচালনা করবে।”

ফখরুল ইসলাম বলেন, “এদেশের মানুষ তাদের অধিকার পিরে পেতে চায়। এদেশের মানুষ শান্তি চায়। একটি সয়ংসম্পূর্ণ বাংলাদেশ চায়। দুবেলা দুমুটো ভাত খেয়ে বেঁচে থাকতে চায়। স্বাস্থ্যসেবা পেতে চায়। সেটাকে নিশ্চিত করতে হলে জনগণের নির্বাচনে একটি সরকার নিশ্চিত করতে হবে। বন্দুকের জোরে, ক্ষমতার জোরে, গায়ের জোরে টিকে থাকার সরকার দিয়ে তা হবে না।”এসময় অন্যদের মাঝে বক্তব্য দেন- জেলা বিএনপির সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও উপজেলার চেয়ারম্যান তৈমুর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পৌরসভার মেয়র মির্জা ফয়সাল আমিন প্রমুখ।