তাজা খবর:
বুধবার, ১১ শ্রাবণ১৪২৪, ২৫ জুলাই২০১৭ রাত ২:৪১

৯ বছরেও নির্মাণ হয়নি বেরোবি’র প্রধান ফটক: উপাচার্যের আশ্বাস

৯ বছরেও নির্মাণ হয়নি বেরোবি’র প্রধান ফটক: উপাচার্যের আশ্বাস

ওমর ফারুক,বেরোবি প্রতিনিধি: রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হওয়ার ৮ বছর পেরিয়ে গেছে। ইতোমধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা সম্ভব হলেও আজো নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি নবীন এ বিশ^বিদ্যালয়টির প্রধান ফটক।এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ও পরিচিতি বহনের ক্ষেত্রে অন্তরায় বলে মনে করছেন বিশ^বিদ্যালয়ের বিভিন্ন মহল।
উত্তরবঙ্গের শ্রেষ্ঠ এ বিদ্যাপীঠে বর্তমানে ৬টি অনুষদের অধীনে ২১টি বিভাগ চালু করা হয়েছে। যেখানে অধ্যয়ন করছেন প্রায় ১০ হাজার শিক্ষার্থী।অপরদিকে শিক্ষাদান করছেন প্রায় ১৫৫ জন শিক্ষক। বিভিন্ন প্রশাসনিক কাজে কর্মকর্তা রয়েছেন দেড় শতকেরও বেশি। অপরদিকে কর্মচারী রয়েছেন ৪ প্রায় শতাধিক।
অন্যদিকে এ কয়েক বছরের মধ্যে ৪ তলা বিশিষ্ট ৪টি একাডেমিক ভবন, একটি প্রশাসনিক সেন্ট্রাল লাইব্রেরি, ছেলেদের জন্য দুইটি হল , মসজিদ, ক্যাফেটেরিয়া, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের জন্য ৪টি ডরমেটরি, মেয়েদের জন্য ১টি হল ও নির্মাণাধীন শেখ হাসিনা হল,নির্মাণাধীন এস ওয়াজেদ রিসার্স ইনিস্টিটিউটের কাজ করা সম্ভব হলেও সাবেক উপাচার্যের অবহেলা ও অনিয়মের কারণে এখনো থমকে রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের নির্মাণ কাজ।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৭৫ একরে প্রতিষ্ঠিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪টি ফটক (গেট) রয়েছে। যার একটিও এখন পর্যন্ত প্রধান ফটক হিসেবে নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।শুধু নামমাত্র রয়েছে এ ফটকসমূহ। এমনকি স্পষ্ট করে চিহ্নিতও করা হয়নি ফটক নং। শুধু ভর্তি পরীক্ষা আসলেই টানানো হয় পেপারের তৈরি নির্দেশক চিহ্ন। কিন্তু পরীক্ষার কিছুদিন পরে তাও তলিয়ে যায় পর্দার অন্তরালে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, “এখনো আমরা ভালোমতো জানি না বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক কোনটি। অপরদিকে যে ফটকসমূহ রয়েছে তা নির্মাণে কোনো উদ্যোগ চোখে পড়ছে না ।তবে বর্তমান ভিসি এটি নির্মাণ করবেন বলে আশা প্রকাশ করছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নবনির্বাচিত সভাপতি তুষার কিবরিয়া বলেন,“যেকোনো বিশ^বিদ্যালয় তার পরিচিতি তুলে ধরে প্রধান ফটকের বৈচিত্র দেখে।আমাদের বর্তমান মাননীয় উপাচার্য এর নির্মাণের ব্যাপারে খুব তাড়াতাড়ি উদ্যোগ নিবেন আমরা সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
বিশ^বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, “এতো দিনে অন্তত্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক নির্মাণের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তা না করায় বাইরে এ প্রতিষ্ঠানের পরিচিতি বিকাশে অন্তরায় হিসাবে কাজ করছে। আমরা মনে করি যত দ্রুত সম্ভব এটি নির্মাণে কর্তৃপক্ষ সদয় দৃষ্টি দিবেন।”
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ^বিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, “ আমরা বিশ^বিদ্যালয়ের সীমানা বাড়ানোর চেষ্টা করছি।যেহেতু প্রধান ফটক নির্মাণ নির্ভর করে বিশ^বিদ্যালয়েরর সীমানার উপরে।সেহেতু সীমানা বাড়লেই আমরা সাথে সাথে প্রধান ফটক নিমার্ণের ব্যাপাওে উদ্যোগ নিতে পারবো।”
ওমর ফারুক বেরোবি প্রতিনিধি
০১৭৩০২৬৩৫৭৩